Padma Awards 2026: ‘মা’-কে ভীষণভাবে মনে পড়ছে। ঋতু যদি আজ পাশে থাকত, তাহলে আনন্দটা আরও অনেক বেশি হতো—পদ্ম পুরস্কারের খবর পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়লেন প্রসেনজিৎ।

Padma Awards 2026

Padma Awards 2026: বছরের একেবারে শুরুতেই প্রেক্ষাগৃহে এসেছে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় অভিনীত ছবি ‘বিজয়নগরের হীরে’। বহুদিন পর এই ছবির মাধ্যমে আবারও কাকাবাবুর চরিত্রে ফিরেছেন তিনি। ঠিক এই সময়েই তাঁর জীবনে যেন বাস্তব হয়ে উঠেছে ‘জুলফিকর’ ছবির সেই জনপ্রিয় লাইন— “রাজার মুকুট, রাজার সাজ”। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে নিজের যোগ্যতায় যে সম্মানের আসন তিনি গড়ে তুলেছেন, তাতে যুক্ত হল নতুন গৌরব—টলিউডের ‘জ্যেষ্ঠপুত্র’ পাচ্ছেন পদ্মশ্রী(Padma Awards 2026)। রবিবার সন্ধ্যায় এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই আবেগে ভাসে গোটা বাংলা, আরও একবার গর্ব করার উপলক্ষ পেল বাঙালি।

ছবির মুক্তির দিনে সন্ধ্যায় দর্শকদের প্রতিক্রিয়া জানার জন্য শহরের বিভিন্ন হলে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন প্রসেনজিৎ। সেই সময়েই তাঁর কাছে পৌঁছে যায় পদ্মশ্রী পাওয়ার খবর। আনন্দের পাশাপাশি আবেগও ছুঁয়ে যায় অভিনেতাকে। এবিপি লাইভ বাংলাকে তিনি জানান, সারা দেশে মানুষ কাকাবাবু ও সন্তুকে দেখার জন্য প্রেক্ষাগৃহে ভিড় করছেন, আর ঠিক তখনই তিনি জানতে পারেন ভারত সরকার তাঁকে পদ্মশ্রীর জন্য নির্বাচিত করেছে। সরকারি ভাবে ঘোষণার পর থেকেই শুভেচ্ছার জোয়ারে ভাসছেন তিনি। সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রসেনজিৎ বলেন, রাষ্ট্রপতির হাত থেকেই তিনি এই সম্মান গ্রহণ করবেন।(Padma Awards 2026)

তবে এই পুরস্কারকে একার প্রাপ্তি হিসেবে দেখেন না অভিনেতা। তাঁর কথায়, গত চার দশকে যাঁরা তাঁর সঙ্গে কাজ করেছেন—পরিচালক, প্রযোজক, সহ-অভিনেতা-অভিনেত্রী, টেকনিশিয়ান, নায়িকা ও সঙ্গীত পরিচালকেরা—সকলের সম্মিলিত অবদানেই আজ তিনি এই জায়গায় পৌঁছেছেন। তাঁদের ছাড়া এই সম্মান সম্ভব হতো না বলেই মনে করেন তিনি।

আরও এক ধাপে আবেগপ্রবণ হয়ে ‘বুম্বাদা’ বলেন, প্রায় পুরো কেরিয়ার জুড়ে বাংলা ভাষার ছবিতেই কাজ করে এই স্বীকৃতি পাওয়া তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় আনন্দ। (Padma Awards 2026 )ছেলে মিশুক ও সহকর্মীরা খুশিতে ভাসলেও, যাঁকে তিনি সবচেয়ে বেশি অনুভব করছেন, তিনি তাঁর মা—যাঁকে ছাড়া প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় হয়ে ওঠা সম্ভব ছিল না। পাশাপাশি তিনি স্মরণ করেন প্রয়াত বন্ধু ঋতুপর্ণ ঘোষকে, যিনি তাঁর মধ্যে নতুন অভিনেতাকে খুঁজে পেয়েছিলেন। বিশ্বাস করেন, আজও তিনি তাঁর সঙ্গে আছেন। সবশেষে দর্শকদের উদ্দেশে প্রসেনজিৎ বলেন, বছরের পর বছর তাঁদের ভালোবাসা ও আশীর্বাদই তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি। তাই এই পদ্মশ্রী শুধু তাঁর একার নয়, এই সম্মান দর্শকদেরও।

সংক্ষেপে সারাংশ (Padma Awards 2026):

বছরের শুরুতেই মুক্তি পাওয়া ‘বিজয়নগরের হীরে’ ছবির মাধ্যমে কাকাবাবু চরিত্রে ফেরার আনন্দের মধ্যেই প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের জীবনে এল আরও এক বড় সম্মান—পদ্মশ্রী। দীর্ঘ অভিনয়জীবনের স্বীকৃতি হিসেবে এই পুরস্কার পেয়ে আবেগাপ্লুত অভিনেতা জানান, এটি তাঁর একার সাফল্য নয়; গত চার দশকে যাঁরা তাঁর সঙ্গে কাজ করেছেন, সকলের সম্মিলিত অবদানেই তিনি এই জায়গায় পৌঁছেছেন। বাংলা ভাষার ছবিতে কাজ করেই এই সম্মান পাওয়াকে তিনি বিশেষ গর্বের বলে মনে করেন। মা ও প্রয়াত বন্ধু ঋতুপর্ণ ঘোষকে স্মরণ করে প্রসেনজিৎ বলেন, দর্শকদের ভালোবাসা ও আশীর্বাদ ছাড়া এই সাফল্য সম্ভব হতো না—তাই এই পদ্মশ্রী দর্শকদেরও প্রাপ্য।

Read More..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *