Scheme 2026: বিধানসভা নির্বাচনের আগে বড় চমক দিল রাজ্য সরকার। বেকার যুবসমাজকে আর্থিক ভরসা দিতে ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেট পেশের সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করলেন এক নতুন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ। এই প্রকল্পের নাম ‘বাংলার যুব সাথী’, যা ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের বাজেটের গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা হিসেবে উঠে এসেছে। প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হল চাকরির সন্ধানে থাকা যুবক-যুবতীদের ন্যূনতম আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
বাংলার যুব সাথী প্রকল্প কী
এই প্রকল্পের আওতায় যোগ্য আবেদনকারীদের প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলার বেকার যুবকদের মধ্যে এই ঘোষণা ইতিমধ্যেই ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। তবে এই সুবিধা পেতে হলে কিছু নির্দিষ্ট যোগ্যতার শর্ত পূরণ করতে হবে।
যোগ্যতার শর্ত (Scheme 2026)
- আবেদনকারীর বয়স হতে হবে ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে
- আবেদনকারীকে বেকার হতে হবে
- ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে মাধ্যমিক উত্তীর্ণ হওয়া বাধ্যতামূলক
এই প্রকল্পের আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হল ভাতা পাওয়ার সময়সীমা। একবার আবেদন অনুমোদিত হলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত এই মাসিক সহায়তা মিলবে। তবে এই সময়ের মধ্যেই যদি কেউ স্থায়ী চাকরি পেয়ে যান, তাহলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রকল্পের সুবিধা বন্ধ হয়ে যাবে।(Scheme 2026)
প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী, যাঁরা ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের অন্য কোনও সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প থেকে নিয়মিত ভাতা পাচ্ছেন, তাঁরা এই সুবিধা নিতে পারবেন না। যদিও একটি গুরুত্বপূর্ণ ছাড় রাখা হয়েছে—যাঁরা শিক্ষা সংক্রান্ত স্কলারশিপ বা বৃত্তি পাচ্ছেন, তাঁরা এই প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন। ফলে পড়াশোনা শেষ করে চাকরির প্রস্তুতিতে ব্যস্ত বহু যুবক-যুবতী এই প্রকল্পের আওতায় আসতে পারবেন বলে মনে করা হচ্ছে।
সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, ১৫ অগস্ট ২০২৬, অর্থাৎ স্বাধীনতা দিবস থেকেই ‘বাংলার যুব সাথী’ প্রকল্প কার্যকর হবে। তার আগেই আবেদন পদ্ধতি ও অনলাইন রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশিকা প্রকাশ করা হবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে রাজ্য সরকার একদিকে যেমন যুবকদের পাশে দাঁড়াতে চাইছে, তেমনই অন্যদিকে চাকরির প্রস্তুতির সময় আর্থিক চাপ কিছুটা হলেও কমানোর চেষ্টা করছে। ফলে পরীক্ষা, ইন্টারভিউ বা দক্ষতা উন্নয়নের দিকে আরও বেশি মনোযোগ দেওয়ার সুযোগ পাবেন যুবসমাজ। সব মিলিয়ে, রাজ্যের যুব নীতিতে ‘বাংলার যুব সাথী’ প্রকল্পকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবেই দেখা হচ্ছে।(Scheme 2026)
আরও পড়ুনঃ অনুমতি ছাড়াই সংরক্ষিত এলাকায় ড্রোন ব্যবহার করে শুটিং, আইনি ঝামেলায় পড়ল ‘ধুরন্ধর ২’
















Leave a Reply